আসন্ন বাজেটে দুশ্চিন্তা বাড়ছে গাড়ি ব্যবহারকারীদের। বাজেট ২০২০-২১

দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় অনেক পরিবার গণপরিবহন এড়িয়ে নিজস্ব গাড়িতে যাতায়াতের পরিকল্পনা করছে ফলে রিকন্ডিশন্ড/নতুন গাড়ি বিক্রয়ের বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়। কিন্তু আসন্ন বাজেটে সরকারের এমন সিদ্ধান্তে মধ্যবিত্তরা গাড়ি ক্রয় থেকে বিরত থাকলে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবেন গাড়ি ব্যবসায়ীরা।


প্রাক বাজেট অনুসারে ইঞ্জিনের ক্ষমতা এবং গাড়ির ধরণের উপর নির্ভর করে একটি গাড়ি বা মাইক্রোবাসে বার্ষিক শুল্ক ৫০%-৭০% শতাংশ বাড়তে পারে। আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর 68৮ বি ধারার অধীনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) যানবাহন নিবন্ধন বা বার্ষিক ফিটনেস নবায়নের জন্য ব্যক্তিগত যানবাহন মালিকদের কাছ থেকে অগ্রিম আয়কর আদায় করে।


বর্তমানে ১,৫০০ সিসি অবধি ইঞ্জিনের ক্ষমতা সম্পন্ন একটি সেডান বা ইউটিলিটি গাড়ি প্রতি বছর অগ্রিম শুল্ক হিসাবে ১৫,০০০ টাকা প্রাদন করে এবং আসন্ন অর্থবছর থেকে তা বাড়িয়ে ২৫,০০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।


১৫০১ সিসি থেকে শুরু করে 2,000 সিসি পর্যন্ত ইঞ্জিনের ক্ষমতা সম্পন্ন যানবাহনের উপর অগ্রিম শুল্ক বিদ্যমান  ৩০,০০০ টাকা থেকে ৫০,০০০ টাকা হবে।


২০০১- ২৫০০ সিসি সেডান, স্পোর্টস ইউটিলিটি এবং ক্রসওভার গাড়ির অগ্রিম বার্ষিক কর ৫০,০০০ টাকা থেকে ৫০% বৃদ্ধিতে ৭৫,০০০ টাকা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।


২৫০১- ৩০০০ সিসি অগ্রিম কর ৭৫,০০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১২৫,০০০ টাকা।


৩০০১- ৩৫০০ সিসি অগ্রিম কর ১৫০,০০০ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে এবং ৩৫০০ সিসি চেয়ে বেশি গাড়ির অগ্রিম বার্ষিক শুল্ক ১২৫,০০০ টাকা থেকে ২০০,০০০ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া মাইক্রোবাসের বার্ষিক কর ৫০% বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। আসন্ন বাজেটে বিলাসবহুল পণ্য বা সেবার উপরে বেশি কর আরোপের প্রস্তাব দেয়া হবে যেন করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্থ অর্থনীতি ও সরকারের বর্ধিত বরাদ্দের জন্য সরকার বেশি রাজস্ব অর্জন করতে পারে।


Auction Sheet Verification -Click Here